রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

সরকারি ওষুধ বিক্রি ও অনিয়মের অভিযোগ: শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক নার্স সাহিদা বেগম!

সরকারি ওষুধ বিক্রি ও অনিয়মের অভিযোগ: শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক নার্স সাহিদা বেগম!

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ওষুধ বিক্রি, রোগীদের খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একজন সরকারি নার্সের বেতনের সঙ্গে তার নামে-বেনামে গড়ে ওঠা বিপুল সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই।স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের তথ্যমতে, মানিকছড়ি বাজার থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম শহর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে সাহিদা বেগম ও তার পরিবারের বিশাল সম্পদের সাম্রাজ্য। এর মধ্যে রয়েছে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, শত শত একর জমি ও বাগান, ভাড়া ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প এবং নগর এলাকায় বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট।অভিযোগ অনুযায়ী, মানিকছড়ি বাজারের কেন্দ্রস্থলে প্রায় ৩০ গন্ডা জমির ওপর একটি বড় আবাসিক ভবন, বাজার সংলগ্ন চারতলা বাণিজ্যিক ভবন, লেমুয়া এলাকায় প্রায় ৫০ একরের বাগানবাড়ি, পানজারাম পাড়ায় ৪০ একরের ফলজ বাগান এবং কালাপানি এলাকায় প্রায় ১০০ একর জমি রয়েছে তার দখলে।এছাড়া মানিকছড়ি থানা সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৩ একর জায়গার ওপর নির্মিত দোতলা ভবন ও প্রায় ৫০টি ভাড়া বাসা থেকে প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের আয় হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শহরেও তার একটি পাঁচতলা ভবন ও একাধিক ফ্ল্যাট থাকার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী সাহিদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির বেতন উত্তোলন না করেও বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাহিদা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এদিকে সচেতন নাগরিকরা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলো সম্পদের উৎস এবং আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীন ও আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে বিবেচ্য।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়