
পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরকে ঘিরে আর্থিক অনিয়ম, অগ্রিম বিল প্রদান, দরপত্রে অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, বিভিন্ন প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিল পরিশোধ ও সরকারি অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের একটি কাজে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার বিল প্রকৃত কাজের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অগ্রিম অর্থ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।এদিকে, চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে ১৮ লাখ ৮১ হাজার টাকার বেশি বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের দরপত্র নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু কাজ নির্ধারিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা করে দিতে পারে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল পরিশোধ এবং দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে। উল্লেখ্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর নির্ভর করবে।