
:সরকারি নির্দেশনা ও আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তা মানছেন না রাজধানীর কোতোয়ালি রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহরিয়ার আশরাফ ও তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শুধু এসি ল্যান্ডের অবহেলাই নয়, তার কার্যালয়ের বিতর্কিত সার্ভেয়ার ও কানুনগো চক্রের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, দুর্ব্যবহার এবং অনৈতিক উদ্দেশ্যে হাজার হাজার নামজারি (খারিজ) ফাইল আটকে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি সংক্রান্ত বিষযে আদালতের সুস্পষ্ট আদেশ ও বিভিন্ন রিকুইজিশন জমা দেওয়া হলেও তা মানতে চান না সংশ্লিষ্টরা। অফিসের চেয়ারে বসে সেবাপ্রার্থীদের সাথে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করা এবং কাজের গতি ধীরগতিতে ঝুলিয়ে রাখা যেন নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।আইন ও নিয়মকানুনকে তোয়াক্কা না করে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখার পেছনে বড় ধরনের অর্থ লেনদেন বা অনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ সেবাপ্রার্থীরা। মাঠ পর্যায়ের এই চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বর্তমান সরকার ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।সংবাদমাধ্যমে এসব অনিয়মের খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনো প্রতিকার বা পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ভুক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে এর বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন।জানা গেছে, অচিরেই ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও কাগজপত্র সংগ্রহ করে ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও ভূমিমন্ত্রীর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করে লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন। একই সাথে এই কার্যালয়ে চলমান অনিয়ম ও দুর্নীতির বিচারে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন এবং দ্রুত ফাইলজট নিরসনের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মহল।