
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক নির্বাহী প্রকৌশলী তবিবুর রহমানকে ঘিরে বিস্ময়কর এক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পর সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে সেই সিদ্ধান্ত বদলে গিয়ে তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছে—যা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একজন সচিব দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পর তবিবুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। কিন্তু বরখাস্তের মাত্র দুই দিনের মাথায় ওই প্রকৌশলী প্রতিমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন। এরপর সাত দিনের মধ্যেই অবস্থার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে।অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে ওই সচিবই নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে জানান যে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আগের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে তবিবুর রহমানকে তার পদে পুনর্বহাল করা হয়।প্রশাসনের ভেতরে এই ঘটনাকে অনেকে ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এত অল্প সময়ের ব্যবধানে তদন্তের ফলাফল সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া প্রশ্নের জন্ম দেয়।জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা দেয়। তাদের দাবি, যদি সত্যিই কোনো অনিয়ম না থাকে, তাহলে তা নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করা উচিত ছিল।প্রশাসনিক অঙ্গনে ‘ফাইলবন্দি সিদ্ধান্ত’, ‘লালফিতার দৌরাত্ম্য’ ও প্রভাব খাটানোর মতো বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় এসেছে এই ঘটনার পর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে এ ধরনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।