
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর কিছু সিনিয়র ও জুনিয়র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিভিন্ন আইনি অভিযোগ নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।নির্ভরযোগ্য সংবাদ ও আদালতের সূত্র অনুযায়ী, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিভিন্ন পদে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেই দুর্নীতি ও দায়িত্বের অপব্যবহারের মামলার তদন্তে বা সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য কিছু কর্মকর্তা হলো:সাবেক ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (DIG) মিজানুর রহমান, যিনি ঘুষ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।সাবেক IGP বিনাজির আহমেদ এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল‑মামুন।সাবেক ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম ও খন্দকার ফারুক হোসেন।সাবেক স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রধান মনিরুল ইসলাম।সহ-IG লুৎফর কবির ও মহবুবুর রহমান।DIG পদমর্যাদার মোল্লা নাজরুল ইসলাম এবং সাবেক DMP কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া।কুড়িগ্রামের এক সাব-ইন্সপেক্টর, যিনি কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও দুর্নীতির কারণে গ্রেপ্তার ছিলেন।এছাড়া গণ‑অভ্যুত্থানের পর কিছু পুলিশ কর্মকর্তা কর্মস্থল থেকে পালিয়ে থাকায় ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। অন্তত ৮১ জন পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, প্রমাণিত অভিযোগ বা আদালতের রায় ছাড়া কাউকে দোষী বলা যায় না। তবে মিডিয়া ও তদন্তের ভিত্তিতে এসব নাম আলোচিত হয়েছে।আইজিপি আলী হোসেন ফকির সাম্প্রতিক সময়ে জানিয়েছেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে যুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দেশের পুলিশ বাহিনীতে থাকবে না। দেশকে নিরাপত্তা দিতে আমরা যথেষ্ট।”