
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আগের অনেক নেতা নির্বাচনে জিততে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও মাদক সম্রাটদের ওপর নির্ভর করতেন। কিন্তু ১১ দলীয় জোট সাধারণ জনগণের ওপরই নির্ভর করে।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আমাদের দায়বদ্ধতা জনগণের কাছে। আমরা কিছু করলে জনগণের আদালতেই দাঁড়াতে হবে। আমরা চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ কিংবা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি, তাই এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের কাছেও আমাদের কোনো দায় নেই।”তিনি আরও বলেন, “১২ তারিখ ইনশাআল্লাহ মাদকসম্রাটদের শেষ দিন। সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই দেবিদ্বারে মাদক ও মাদককারবারের শেষ দিন হয়ে যাবে। দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মাদকসম্রাট একসঙ্গে থাকতে পারে না।”চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেবিদ্বারে অনেক চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী এখন দুশ্চিন্তায় আছে—তারা কীভাবে জীবন চালাবে। যাদের কর্ম করে খাওয়ার অভ্যাস নেই, যারা মেল-মিটিং আর ধান্দাবাজির মাধ্যমে খেয়েছে, তারা লজ্জা না করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেব।”ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আপনারা আমার পক্ষে প্রতিদিন অন্তত ১০টি করে ভোট চাইবেন। আগামী ১২ তারিখ উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই মিলে ভোট দিতে যাবেন। নির্বাচনে দুটি ভোট দেবেন—একটি ‘শাপলাকলি’, আরেকটি ‘হ্যাঁ’ ভোট। আগামীর বাংলাদেশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপর নির্ভর করেই গড়ে উঠবে।”উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ, দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির সদস্য মোসলে উদ্দিন ও জয়নাল আবেদিন, মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক, জামায়াত নেতা কাজী সবুজসহ জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।