
রাজধানীর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো: নুরুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন এবং শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প-এ তিনি ও তার ভাইয়ের নামে দুটি পৃথক ৫ কাঠা করে মোট ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। পরে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় লেকপাড়ের ওয়াকওয়ে, বর্জ্য নিষ্পত্তি স্টেশন ও সবুজ বেল্টের প্রায় ৭ কাঠা জায়গা দখল করে সেখানে প্রাচীর নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।এতে প্রকল্পের মূল নকশা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং লেকপাড়ের হাঁটার পথ বন্ধ হয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।প্লট বরাদ্দের অভিযোগঅভিযোগে বলা হয়—মো: নুরুল ইসলামপূর্বাচল ১ নম্বর সেক্টর২০৩-জি সড়ক, প্লট নং-১৫বরাদ্দ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৫রফিকুল আলমপূর্বাচল ১ নম্বর সেক্টর২০৩-এফ সড়ক, প্লট নং-১৬বরাদ্দ: ১২ জুন ২০০৫অভিযোগ রয়েছে, আবেদন ও লিজ দলিল প্রক্রিয়ায় একই ঠিকানা ও প্রভাব ব্যবহার করা হয়েছে।সরেজমিন অভিযোগসরেজমিন তথ্যে উঠে এসেছে—২০৩-জি ও ২০৩-এফ সড়কের মাঝখানের লেকপাড়ের ওয়াকওয়ে দখলবর্জ্য নিষ্পত্তি স্টেশনের জায়গা দখলসবুজ বেল্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণপ্রকল্পের নকশা পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাসম্পদের তালিকা নিয়ে অভিযোগঅভিযোগ অনুযায়ী, মো: নুরুল ইসলাম ও তার পরিবারের নামে ঢাকার জোয়ার সাহারা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে। এছাড়া রাজশাহী-এর গোদাবাড়ি ও চান্দলাই এলাকায় কয়েক একর জমির মালিকানার তথ্যও সামনে এসেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে—স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট ও সম্পদব্যক্তিগত গাড়িবেনামে জমি থাকার অভিযোগপরিবারের সদস্যদের নামে ছড়িয়ে থাকা সম্পদের নেটওয়ার্কসব মিলিয়ে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, সরকারি দায়িত্বে থেকে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, অবকাঠামো দখল এবং বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তোলার মতো গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো মো: নুরুল ইসলাম