
বিদেশে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তাকে পরিকল্পিতভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর দাবি, ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় একাধিক দেশের আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাঁর বিদেশ সফরে বাধা সৃষ্টি করা হয়।গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবন–এ গণমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি এ অভিযোগ করেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে আমার অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এসেছিল। কিন্তু তখনকার সরকারের কিছু কর্তাব্যক্তি সফরের বিষয়ে সহযোগিতা করেননি। বরং আমাকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।”তিনি জানান, অন্তত দুটি দেশের আমন্ত্রণের বিষয়ে তিনি নিশ্চিতভাবে অবগত ছিলেন। এর একটি ছিল কসোভো। তবে আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও সফরটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।রাষ্ট্রপতির ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি ছিল কেবল প্রশাসনিক জটিলতা নয়; বরং এটি ছিল ইচ্ছাকৃতভাবে রাষ্ট্রপতিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিনিধিত্ব করা থেকে বিরত রাখার প্রয়াস।এ বিষয়ে ড. ইউনূস বা তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে এ বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর সাধারণত সরকারের সুপারিশ ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হয়। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্নও সামনে আসতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।