
জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সকাল থেকে বেশিরভাগ কেন্দ্রই ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্টের উপস্থিতিও চোখে পড়েনি।নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশে যেখানে মোটামুটি এক ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে, সেখানে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে—এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। কারণ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান ও সমাধিস্থল। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ জেলা থেকেই নির্বাচনে অংশ নিতেন।গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া) আসনে সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল ৭টার আগেই প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা কেন্দ্রে উপস্থিত হলেও ভোটার উপস্থিতি ছিল শূন্যের কাছাকাছি। টুঙ্গিপাড়ার ডিমাডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫৪০ জন, যার মধ্যে নারী ভোটার ১ হাজার ২৪০ জন। তবে সকাল পর্যন্ত সেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম।গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। আর গোপালগঞ্জ-১, ২ ও ৩—এই তিনটি আসনে মোট ভোটার প্রায় ১০ লাখ। দীর্ঘদিন ধরে জেলা আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে শেখ হাসিনা একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ অংশ নেওয়া প্রায় সব নির্বাচনে এই আসনে বিজয়ী হয়েছে।তবে এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ কারণে ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের অনাগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতির ওপর।