
এক সময়ের যানজট আর হকারদের দখলে থাকা সিদ্ধেশ্বরী ও মিন্টু রোড এলাকায় এখন স্বস্তির সুবাতাস বইছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রমনা মডেল থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাহাৎ খান, উপ-কমিশনার (ডিসি) মহোদয় এবং পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মহিদুল ইসলামের কঠোর ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বদলে গেছে পুরো এলাকার চিত্র। ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং যানজট নিরসনে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছেন স্থানীয় স্থায়ী বাসিন্দারা।বদলে গেছে সিদ্ধেশ্বরীর চিত্রবিগত সরকারের আমলেও মিন্টু রোড এবং সিদ্ধেশ্বরী এলাকাটি ছিল তীব্র যানজট ও হকারদের উপদ্রবে নাকাল। কিন্তু বর্তমান পুলিশ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের ফলে এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিশেষ করে সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় কোনো অবৈধ ভ্যান বা ফুটপাত দখলজনিত সমস্যা নেই বললেই চলে। সাধারণ মানুষের চলাচলে এখন আর কোনো বিঘ্ন ঘটছে না।এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ‘ক্রাইম অব টোয়েন্টিফোর মিডিয়া’কে জানানো হয়, ওসি মুহাম্মদ রাহাৎ খান এবং ফাঁড়ির এসআই মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশি তৎপরতা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। মিন্টু রোড ও সিদ্ধেশ্বরী এলাকার সুশীল সমাজের স্থায়ী বাসিন্দারা এই ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ডিসি মহোদয়, রমনা থানার ওসি মুহাম্মদ রাহাৎ খান এবং এসআই মহিদুল ইসলামকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।এলাকাবাসীর বক্তব্য:”এই এলাকাটি অনেকটাই ভিআইপি জোনের মতো, যেখানে বহু স্বনামধন্য ও গুণী ব্যক্তিবর্গ বসবাস করেন। পুলিশের প্রশংসনীয় ও সাহসী ভূমিকার কারণে এখন এলাকায় ছিনতাই, মাদক কিংবা কোনো ধরনের অপকর্ম নেই বললেই চলে। আমরা এখন অত্যন্ত নিরাপদে ও স্বস্তিতে বসবাস করছি।”’গুলশানের মতো’ আধুনিক রূপ দেওয়ার আহ্বানস্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সার্বিক দিক থেকে এলাকাটি এখন অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও নিরাপদ। তবে সিদ্ধেশ্বরীর খন্দকার গলিতে এখনো মাঝে মাঝে ২-৪টি ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রশাসন যদি এই সামান্য সমস্যাটুকুও দ্রুত সমাধান করে দেয়, তবে সিদ্ধেশ্বরী এলাকাটি একদম আধুনিক ও নিখুঁত রূপ নেবে এবং অভিজাত এলাকা গুলশানের মতোই দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠবে।রমনা থানা পুলিশের এমন জনবান্ধব, তৎপর ও কার্যকর ভূমিকা বজায় থাকলে ঢাকা শহরের অন্যান্য এলাকাও দ্রুত যানজট ও অপরাধমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সচেতন নাগরিক মহল।