
গরমকালে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পেছনে কোনো অসাধু কর্মকর্তা জড়িত আছেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে কৃষিজমির ক্ষতি হয়—এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।তিনি জানান, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র বেসরকারি মালিকানাধীন হওয়ায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) তুলনামূলক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। বিগত সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অপচয় হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আগের সরকার প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া রেখে গেছে, যার আর্থিক চাপ বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে। এই দেনা পরিশোধ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।তিনি আরও বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সময়মতো বকেয়া পরিশোধ না হলে তারা জ্বালানি সংগ্রহে সমস্যায় পড়ে। আর জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।