শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
সারাদেশ

প্রতিদিন ১৮ কোটি টাকার ক্ষতি, শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট ক্ষতি ছাড়াল ৪০ হাজার কোটি

প্রতিদিন ১৮ কোটি টাকার ক্ষতি, শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট ক্ষতি ছাড়াল ৪০ হাজার কোটি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রে দীর্ঘদিনের যান্ত্রিক ত্রুটি, অচলাবস্থা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিদিন প্রায় ১৮ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ পর্যন্ত কেন্দ্রটির মোট ক্ষতির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জন্য প্রায় ৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হলেও ছয় বছরেও এটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাত্র একটি ইউনিট বর্তমানে আংশিকভাবে সচল রয়েছে।দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অন্যতম শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র। তবে বছরের পর বছর ধরে যান্ত্রিক ত্রুটি, অব্যবস্থাপনা ও বারবার অগ্নিকাণ্ডের কারণে কেন্দ্রটির অধিকাংশ ইউনিট অচল হয়ে পড়ে আছে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত বাড়ছে সরকারের আর্থিক ক্ষতি।জানা গেছে, ২০১৭ সালে প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ২০২০ সালে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। পরে পরীক্ষামূলক চালুর সময় টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যায়। একাধিকবার মেরামতের চেষ্টা করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আবারও ব্লেড ভেঙে গেলে কেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়