বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

গুলশানের কোটি টাকার বাড়ি সরকারের, ৩ মাসের মধ্যে ছাড়তে হবে সালাম মুর্শেদীকে

গুলশানের কোটি টাকার বাড়ি সরকারের, ৩ মাসের মধ্যে ছাড়তে হবে সালাম মুর্শেদীকে

ঢাকার অভিজাত গুলশান-২ এলাকার বহুল আলোচিত একটি বাড়ি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত রায়ে বলেছেন, গুলশানের ১০৪ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর বাড়িটি সরকারের সম্পত্তি এবং এটি তিন মাসের মধ্যে সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে সাবেক জাতীয় ফুটবলার, ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদীকে।বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, গুলশানের সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর সম্পত্তিটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল এবং আইনগতভাবে অবমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এর সেই অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি।রায়ে বলা হয়, পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পত্তিটির মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব হস্তান্তর আইনগতভাবে বৈধ নয়। ফলে বর্তমানে বাড়িটি সরকারের মালিকানাধীন সম্পত্তি হিসেবেই গণ্য হবে।মামলার নথি অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে। পরবর্তীতে বিভিন্ন দলিল, নামজারি ও হস্তান্তরের মাধ্যমে ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হলেও এসব প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।২০২২ সালে এ বিষয়ে একটি রিট আবেদন করা হলে হাইকোর্ট সম্পত্তি-সংক্রান্ত নথি তলব করেন এবং অনুসন্ধানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেন। পরে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে মালিকানা হস্তান্তরের বিভিন্ন ধাপে অসংগতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠে আসে।চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রায়ে বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় পরিত্যক্ত সম্পত্তির মর্যাদা পরিবর্তন না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে সম্পত্তি হস্তান্তরের পুরো প্রক্রিয়াই বেআইনি। তাই বাড়িটি সরকারের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সরকারের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়