
ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী বুধবার (১ এপ্রিল) জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি ঘাঁটি ইরান ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, এসব হামলা শুধুমাত্র মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেছে এবং কোনো প্রতিবেশি দেশকে আক্রমণ করা হয়নি।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, যুদ্ধের নামে স্কুল, কলেজ ও সাধারণ জনগণের ওপর আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা মুসলিম বিশ্বকে ধ্বংস করতে চাচ্ছেন। আমাদের মসজিদগুলোকে উগ্রবাদের আখড়া মনে করছেন। এই যুদ্ধ আমাদের বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো মুসলিম উম্মাহ ও ইসলামের বিরুদ্ধে।”জলিল রহীমি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগর ছেড়ে পালিয়েছে এবং ইউরেনিয়াম উদ্ধারের নামে শুরু করা প্রযুক্তি ধ্বংস ও সামরিক উদ্যোগে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরু হয়েছে ইসরাইলের উসকানিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন।ইরান চাইছে যুদ্ধ প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখতে। রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যক্রমের সমালোচনা করে বলেন, শক্তিশালী দেশগুলোর হাতিয়ার হিসেবে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা। তবে ইরান পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানাচ্ছে এবং চায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যেন আর কোনো দেশের উপর আগ্রাসন চালাতে না পারে।সংক্ষেপে, ইরান এই পদক্ষেপকে প্রতিরক্ষামূলক ও বৈধ কর্মকাণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হুমকিকে উপেক্ষা করতে প্রস্তুত।আপনি চাইলে আমি