
বগুড়ার মালগ্রামে একটি ভেটেরিনারি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর দাবি, বগুড়ার পুলিশ সুপারের (এসপি) নাম ব্যবহার করে দফায় দফায় টাকা দাবি করা হয়েছে।ভুক্তভোগী মো. নেওয়াজ রনি ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা। তিনি মালগ্রাম এলাকায় ভাড়া বাসায় “নিউ টেক ভেটেরিনারি” নামে একটি ওষুধ কারখানা পরিচালনা করতেন।স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ মে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ও সাংবাদিক পরিচয়ধারী তিন ব্যক্তি কারখানাটিতে গিয়ে সেটিকে “ভুয়া” দাবি করে অভিযান চালান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কামরুজ্জামান। পরে কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে কারখানার মালিক ও বাড়ির মালিককে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়।অভিযোগ রয়েছে, সেখানে বিষয়টি “সমাধান” করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ধারী তিন ব্যক্তি ১০ হাজার টাকা এবং আইসি নুরুজ্জামান ৩০ হাজার টাকা নেন।কারখানার মালিক মো. নেওয়াজ রনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও তারা কোনো ত্রুটি খুঁজে না পেয়ে টাকা দাবি করে। আমাকে ও বাড়ির মালিককে ফাঁড়িতে আটকে রেখে ৮০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে আইসি নুরুজ্জামানকে ৩০ হাজার টাকা এবং সঙ্গে থাকা তিন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা দিলে তারা আমাদের ছেড়ে দেয়।”তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার দুই দিন পর আবার ফোন করে “এসপি স্যারকে ম্যানেজ করতে হবে” বলে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে বাড়ির মালিকের বাসায় গিয়েও এ টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়।এদিকে, টাকা লেনদেন ও পরবর্তী দাবির বিষয়ে একটি কল রেকর্ড প্রতিবেদকের হাতে এসেছে বলেও জানা গেছে।