রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ: বিভ্রান্তি দূর করতে পিবিআইয়ের ব্যাখ্যা

হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ: বিভ্রান্তি দূর করতে পিবিআইয়ের ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ধানমন্ডি এলাকায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ প্রতিবেদন দাখিলের খবর ঘিরে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) একটি বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি।পিবিআই জানায়, শেখ হাসিনাসহ আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ কোনো রাজনৈতিক বা প্রভাবমূলক সিদ্ধান্ত নয়; বরং মামলায় গুরুতর তথ্যগত অসংগতি ও ভুয়া তথ্য পাওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ‘তথ্যগত ভুল’ উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর শরিফ (৩৭) নামের এক ব্যক্তি ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১১৩ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় মিনা বাজারের সামনে আন্দোলন চলাকালে সাহেদ আলীসহ ১০ জন আহত হন। বাদী শরিফ সাহেদ আলীকে তার ছোট ভাই বলে উল্লেখ করেন।তদন্তে পিবিআই দেখতে পায়, এজাহারে উল্লেখিত ঠিকানায় সাহেদ আলী নামে কোনো ব্যক্তি কখনও বসবাস করেননি। এছাড়া বাদী শরিফ ও ভিকটিম সাহেদ আলী ভাই নন বলেও নিশ্চিত হয় তদন্তকারী দল। ভিকটিমের নামে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রটি ভুয়া এবং ওই নামে কোনো মোবাইল নম্বর নিবন্ধিত নেই বলেও জানায় পিবিআই।এজাহারে সাহেদ আলীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘সীমান্ত স্কয়ার’-এর নাম উল্লেখ করা হলেও মার্কেট কমিটির পক্ষ থেকে এমন কোনো ব্যবসায়ীর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি আহত হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকায় ঢাকা কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষও তাদের শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়।পিবিআই আরও জানায়, বাদী শরিফকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো ভিকটিম হাজির করতে পারেননি। এমনকি ঘটনার নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে তদন্ত চালিয়েও কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।এসব সার্বিক অসংগতি, ভুয়া পরিচয় ও তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি ‘তথ্যগত ভুল’ হিসেবে চিহ্নিত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।পিবিআই স্পষ্ট করে জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত সব মামলা তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত ১৭টি জিআর মামলায় চার্জশিট এবং ৬৭টি সিআর মামলায় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। তবে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্যের ওপর দায়ের করা মামলার ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়