
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে নবনির্বাচিত বিএনপি সরকার বড় ধরনের চাপে পড়েছে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর পর এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে।ক্ষমতা গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই এমন আন্তর্জাতিক সংকটের মুখে পড়ায় সরকার এখন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং জনমুখী কার্যক্রম চালু রাখার বড় চ্যালেঞ্জে রয়েছে।🏛️ জরুরি বৈঠক বুধবারপরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকাল ১০টায় তার কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। এতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।এর আগেই সংকট মোকাবিলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদসহ জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা।⚠️ অর্থনীতিতে ঝুঁকি বাড়ছেসরকারি সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিশ্লেষণে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে কমিটি।স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই যুদ্ধকে ‘অন্যায় ও আগ্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের সংঘাত উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করে।বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার কারণে পরিবহন ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।