
মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে সালাউদ্দিন মঞ্জুর বিরুদ্ধে। তিনি একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।অভিযোগ অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধা কোটার আওতায় ভুয়া বা বিতর্কিত তথ্য ব্যবহার করে সালাউদ্দিন মঞ্জু সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তার পরিচয়, পারিবারিক মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত তথ্য ও চাকরিতে প্রবেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, সালাউদ্দিন মঞ্জুর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযোদ্ধা কোটার মতো সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অপব্যবহার প্রমাণিত হলে তা শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি গুরুতর আঘাত। এ কারণে বিষয়টির স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।এ বিষয়ে সালাউদ্দিন মঞ্জুর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।