
মাত্র ৪৫ হাজার টাকা বেতনের একজন নবম গ্রেডের পাসপোর্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় ৫৯ কোটি টাকার সম্পদের মালিকানার অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি সুনির্দিষ্ট জবাব দিতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে তিনি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।তিনি বলেন, “মহাপরিচালকের অনুমতি ছাড়া কথা বলা মানা। ঢাকা শহরে আমার এত টাকা নেই। যা আছে, তার ভ্যাট, ট্যাক্স সবই আছে। এর বাইরে কেউ কোনো সম্পদের বিষয়ে বললে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”এদিকে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরও বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং লিখিত আবেদন করতে বলেন।পরবর্তীতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি লিখিতভাবে যোগাযোগ করা হলে ২ মার্চ এক লিখিত জবাবে মহাপরিচালক বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।এ বিষয়ে অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহাপরিচালক সরাসরি মন্তব্য না করলেও অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”