
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের হল রুমে আয়োজিত এক মাসিক সমন্বয় সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সভার শুরুতেই তার একটি সময়োপযোগী ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে।মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের হল রুমে আয়োজিত এক মাসিক সমন্বয় সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সভার শুরুতেই তার একটি সময়োপযোগী ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে।ঘটনার বিবরণপ্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির মাসিক মিটিংয়ে যোগ দিতে মন্ত্রী হল রুমে প্রবেশ করার পরপরই সেখানকার অতিরিক্ত লাইট এবং এসি বন্ধ করার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিজ হাতে জানালার পর্দা সরিয়ে দেন এবং থাই গ্লাস খুলে দিয়ে প্রাকৃতিক আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করেন।মন্ত্রীর এই দূরদর্শিতা এবং দেশপ্রেম দেখে সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী এবং সাংবাদিকরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান।বক্তব্যে দেশপ্রেম ও উন্নয়নসভায় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী তার বক্তব্যে আগামী দিনের বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি তারেক রহমান দেশকে দুর্নীতিমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করছেন। বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসামিটিং শেষ হতে না হতেই মন্ত্রীর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভিডিও এবং স্থিরচিত্র মাগুরা জেলাসহ সারাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ নেটিজেনরা মন্ত্রীর এই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব মানসিকতাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। নেটিজেনদের মতে, জনপ্রতিনিধিদের এমন সাধারণ কিন্তু কার্যকরী উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি বড় বার্তা হিসেবে কাজ করবে।