সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ | ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

বেতন ৬০ হাজার, সম্পদ ৭০ কোটিরও বেশি: ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানের সম্পদের সাম্রাজ্য

বেতন ৬০ হাজার, সম্পদ ৭০ কোটিরও বেশি: ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানের সম্পদের সাম্রাজ্য

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) এক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য সামনে এসেছে। মাসিক বেতন মাত্র ৬০ হাজার টাকা হলেও তিনি গড়ে তুলেছেন প্রায় ৭০ কোটির সম্পদের বিশাল সাম্রাজ্য—এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, মিজানের নামে-বেনামে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট এবং জমি রয়েছে। এছাড়া ব্যাংক হিসাবেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন, যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঠিকাদারি কাজ থেকে কমিশন নেওয়া, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তিনি এই সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।দুদক ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। প্রাথমিক যাচাইয়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার সম্পদের হিসাব চাওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে তার ঘনিষ্ঠদের নামেও থাকা সম্পদ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ বিষয়ে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের অনিয়ম রোধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর শাস্তির বিকল্প নেই।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়