
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা-তে তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ-এর উজানে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের খড়িবাড়ি চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন ও গ্রাম পুলিশ সদস্য জাহিদুল ইসলাম। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ২০-২৫টি অবৈধ বোমা মেশিন বসিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র পাথর ও বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদী রক্ষা বাঁধ, ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ে।এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে ঘটনাস্থলে যান চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন। এ সময় বাধা দিলে পাথর ব্যবসায়ী, মেশিন মালিক ও শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছে। তারা দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।