
মৎস্য রপ্তানি খাতে আধুনিক ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করার লক্ষ্যে ‘মৎস্য রপ্তানি প্রসারে ই-ট্রেসিবিলিটি’ শীর্ষক একটি প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের (বিপিসি) যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত একটি পাইলট প্রকল্পের অর্জন হিসেবে এই প্রকাশনাটি প্রণয়ন করা হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিপিসির সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
তিনি মৎস্য খাতের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব)-এর সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান সাহিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের (বিপিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাহিদ আফরোজ, মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও ফোয়াবের উপদেষ্টা ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও বিপিসির পরিচালক ড. মো. রাজ্জাকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ই-ট্রেসিবিলিটি ব্যবস্থা ও প্রকাশনার ওপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ফোয়াবের প্রকল্প পরিচালক মৎস্যবিদ মো. মনিরুজ্জামান ও ফোয়াবের আইটি কনসালটেন্ট মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান।
তারা তুলে ধরেন কীভাবে ই-ট্রেসিবিলিটি বা ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা মৎস্য পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোয়াবের আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় লিমিটেডের পরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং খুলনা জেলা আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন খাজা।
এছাড়া বিভিন্ন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, ফোয়াবের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।