রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-চীনের ওপর নজর রাখতে হলদিয়া নদীতে ঘাঁটি স্থাপন করছে ভারত

বাংলাদেশ-চীনের ওপর নজর রাখতে হলদিয়া নদীতে ঘাঁটি স্থাপন করছে ভারত

ভারতের নৌবাহিনী পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া নদীতে একটি নতুন নৌ স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। চীনের নৌবাহিনীর বাড়তে থাকা সক্রিয়তা এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ঘিরে বদলে যাওয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিজেদের সামুদ্রিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি পূর্ণাঙ্গ কোনো নৌঘাঁটি নয়; বরং একটি নৌ ‘ডিটাচমেন্ট’ হিসেবে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, এখানে সীমিত আকারের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের মাধ্যমে একটি পৃথক ও কার্যকর ইউনিট গড়ে তোলা হবে, যা দ্রুত সামুদ্রিক অভিযানে অংশ নিতে সক্ষম হবে।
এই স্থাপনার জন্য হলদিয়ার বিদ্যমান ডক কমপ্লেক্সই ব্যবহার করা হবে। ফলে নতুন করে বড় ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজন কমবে এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে একটি নির্দিষ্ট জেটি নির্মাণের পাশাপাশি জাহাজ ও নৌসেনাদের জন্য প্রয়োজনীয় অপারেশনাল সুবিধা গড়ে তোলা হবে।
নতুন এই নৌ স্থাপনায় ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট (এফআইসি) এবং প্রায় ৩০০ টন ওজনের নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব উচ্চগতির নৌযান ঘণ্টায় আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ নট গতিতে চলতে পারে, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও নজরদারি অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, এসব জাহাজে সিআরএআর-৯১ কামান সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এগুলোকে নাগাস্ত্রের মতো লয়টারিং মিউনিশন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হতে পারে বলেও আলোচনা চলছে। এর মাধ্যমে নজরদারি আরও নিখুঁত হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলার সক্ষমতাও বাড়বে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়