সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ | ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

১২ শতাংশ কাজেই পদোন্নতি! ৪ হাজার কোটি টাকার সেতু প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

১২ শতাংশ কাজেই পদোন্নতি! ৪ হাজার কোটি টাকার সেতু প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

দেশের ৩৫টি উপজেলার পল্লী সড়কে ৮২টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। তবে চার বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটির অগ্রগতি মাত্র ১২ শতাংশে সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।আইএমইডির সর্বশেষ প্রতিবেদনে প্রকল্পটির বিভিন্ন পর্যায়ে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও তদারকির ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু বাস্তবে কাজ হয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮২টি সেতুর মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে ৪৬টির। ১৬টি সেতুর নকশা এখনো সম্পন্ন হয়নি, ১৬টির কাজ এক শতাংশও অগ্রসর হয়নি, ১২টির নির্মাণকাজ কার্যত বন্ধ রয়েছে এবং ১৪টির টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি।এদিকে প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়া ৪৭ জন পরামর্শকের মধ্যে ১৭ জন কখনো প্রকল্প এলাকায় না গেলেও প্রায় ১৭ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একাধিক সেতুর নকশা ও নির্মাণকাজে কারিগরি ত্রুটি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগও পাওয়া গেছে।আইএমইডির তদন্তে গোমতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতুতে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠে এসেছে। পাশাপাশি শিবগঞ্জে একটি সেতু নির্মাণে ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণের তথ্যও পাওয়া গেছে। তবে এসব অনিয়মের পরও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ মেলেনি।এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. আবু জাকির সিকান্দারের পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও তিনি অনিয়ম ও ব্যর্থতার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, জুন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং কোথাও ত্রুটি পাওয়া গেলে তা সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়