
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) যেন আলাদিনের চেরাগে পরিণত হয়েছে। নিম্নপদস্থ কর্মচারী হয়েও রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার আরও একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। রাজউকের অফিস সহকারী সাইফুল ইসলামের নামে ঢাকার বুকে এক বিশাল ৮ তলা বিলাসবহুল প্রাসাদের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার আয়ের উৎস সম্পূর্ণ অজানা।### ঘটনার বিবরণসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নামমাত্র বেতনের একজন সাধারণ অফিস সহকারী হয়েও সাইফুল ইসলাম রাজধানীর বুকে গড়ে তুলেছেন বহুতল এই ভবন। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ চাকরিজীবী মনে হলেও তার এই বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং বিশাল সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা রহস্য ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।কয়েকটি মূল বিষয় যা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উঠে এসেছে:* **পদবি বনাম সম্পত্তি:** একজন সাধারণ অফিস সহকারীর সীমিত বেতন দিয়ে ঢাকার মতো জায়গায় ৮ তলা ভবন নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব।* **আয়ের উৎস:** ভবনটি নির্মাণে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও, এই বিপুল অর্থের বৈধ কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি তিনি।* **রাজউকের সিন্ডিকেট:** সাধারণ মহলে গুঞ্জন উঠেছে, রাজউকের ভেতরে গড়ে ওঠা ‘কোটিপতি তৈরির গোপন লাইন’ বা শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেটের হাত ধরেই সাইফুল এই বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন।### জনমনে ক্ষোভএই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর রাজউকের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই একে “আলাদিনের চেরাগের বাস্তব রূপ” বলে আখ্যায়িত করছেন। একজন সাধারণ কর্মচারীর যদি এই অবস্থা হয়, তবে ওপরের মহলের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির পরিধি কতটা গভীর, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা চলছে।> **সারসংক্ষেপ:** > রাজউকের অফিস সহকারী সাইফুলের এই রহস্যময় ৮ তলা প্রাসাদের পেছনের প্রকৃত উৎস এবং এর পেছনে থাকা বড় কোনো দুর্নীতির সিন্ডিকেট জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে অতি দ্রুত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর তদন্ত দাবি করছেন সচেতন মহল।