
তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের অধীনে খিলগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানি আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য ও বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও লাগামহীন ঘুষের দাবিতে সাধারণ দলিল লেখক থেকে শুরু করে সেবাগ্রহীতারা চরম অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগঅনুসন্ধানে জানা যায়, আব্দুর রহমান প্রাথমিকভাবে ‘নকল নবিশ’ হিসেবে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগদান করেন। সেখানে কর্মরত থাকাকালীন তিনি নিজস্ব নেতৃত্বে একটি বিশাল ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাহিনী গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেটের প্রভাব খাটিয়ে এবং নিজের ক্ষমতা জাহির করে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিস একক নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।### অবৈধ সম্পদের পাহাড়: বহুতল ভবন ও বাণিজ্যিক দোকানঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা দিয়ে কেরানি আব্দুর রহমান সাভার ও এর আশপাশে বিশাল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু অবৈধ সম্পদের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:* **৫ তলা আবাসিক ভবন:** সাভারের রেডিও কলোনির পাশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক ৫ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন।* **বাণিজ্যিক দোকান:** সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি বহুতল মার্কেটে তাঁর মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে, যার বর্তমান বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা।* **পৌর এলাকায় জমি ও সম্পদ:** সাভার পৌর এলাকার থানার পেছনে রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের বিপুল স্থাবর সম্পদ।* **বিলাসবহুল বাগান বাড়ি:** সাভারের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর একটি দৃষ্টিনন্দন ও বিলাসবহুল বাগান বাড়ি গড়ে তুলেছেন তিনি।বেনামে ও অবৈধ উপায়ে অর্জিত এই বিশাল সম্পদ নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগণ এই দুর্নীতিবাজ কর্মচারীর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।