
যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে ইকরামুল কবির (২৫) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ গোয়ালঘরের মাটির নিচে পুঁতে ঢালাই করে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। প্রায় ৩৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত ইকরামুল কবির পুটখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন— মুনী বেগম (২০), কাকলী বেগম (১৯), ফজলু মোড়ল (৫৫) এবং ফরহাদ হোসেন (২৮)। রোববার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফুয়াদের স্ত্রী মুন্নীর সঙ্গে ইকরামুলের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। প্রায় এক মাস আগে পাওনা টাকা আনতে প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। পরে সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের এক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়া ও টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের জেরে ইকরামুলকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ গুম করতে মাটিচাপা দিয়ে ওপর থেকে ঢালাই করা হয়।শার্শা থানার পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।