
দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি ও জেলার এসপি নিয়োগে গুরুতর অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, মাঠ পুলিশের এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা বাছাইয়ে মানা হচ্ছে না দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিধি-বিধান ও প্রথা। বরং তদবির ও রাজনৈতিক প্রভাবকেই প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই ওসি ও এসপি পদায়ন নিয়ে তৎপরতা বেড়েছে। রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানাগুলোতে পছন্দের ব্যক্তিকে বসাতে মন্ত্রী-এমপি ও রাজনৈতিক নেতাদের তদবিরের অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের মাধ্যমেও পদায়নের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।থানার ওসি নিয়োগে আর্থিক লেনদেন ও তদবিরের অভিযোগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক দুই দফায় সতর্কবার্তা জারি করেছেন।এদিকে, গত মঙ্গলবার এসপি নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রদল নেতা, হত্যা ও গুম মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সাবেক নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পদায়ন করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পর ফেনী ও ঝালকাঠির নতুন এসপিদের যোগদান স্থগিত করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।সাবেক আইজিপি ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসপি ও ওসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে সৎ, দক্ষ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।