
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অভিযোগ নিয়ে। আপনার দেওয়া স্ক্রিনশট এবং বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদের মূল অংশ নিচে তুলে ধরা হলো:ঝিনাইদহে এসআই তকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘হানিট্রাপ’ পেতে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগকালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ): ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) তকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারীকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘দুর্নীতির ডায়েরি’ নামক একটি প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, তিনি জনৈক নারীকে সহযোগী হিসেবে নিয়ে এই ‘হানিট্রাপ’ ফাঁদ পরিচালনা করতেন।ঘটনার বিস্তারিত:অভিযোগের ধরণ: অভিযোগ রয়েছে যে, এসআই তকিবুর রহমান একজন নারীকে দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রলুব্ধ করতেন। পরবর্তীতে তাদের নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে পুলিশি অভিযানের ভয় দেখিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন অথবা মানসিকভাবে হেনস্তা করতেন।সহযোগী: সংবাদে উক্ত নারীকে ‘বিপথগামী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি সরাসরি এসআই তকিবুরের ছত্রছায়ায় এই অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।তারিখ: খবরটি ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে বলে স্ক্রিনশটের তথ্যে দেখা যাচ্ছে।জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া:সামাজিক মাধ্যমে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নেটিজেনরা পুলিশের মতো একটি দায়িত্বশীল বাহিনীর সদস্যের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।দ্রষ্টব্য: এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সারাংশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা মূলধারার সংবাদমাধ্যমের বিস্তারিত প্রতিবেদনের দিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।এবার করআপনার দেওয়া নতুন তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি আরও বিস্তারিতভাবে সাজানো হলো:কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও পিংকি ঘোষের ভয়ংকর ‘হানিট্রাপ’: নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষনিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ:ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও এক নারীর মিলে গড়ে তোলা ভয়ংকর প্রতারণার জালে পড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তকিবুর রহমান এবং জনৈক পিংকি রানী ঘোষের বিরুদ্ধে এই সুসংগঠিত ‘হানিট্রাপ’ বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।যেভাবে চলতো এই প্রতারণা:অভিযোগ অনুযায়ী, এসআই তকিবুর রহমান এবং পিংকি রানী ঘোষ মিলে একটি চক্র গড়ে তুলেছেন। পিংকি রানী ঘোষ প্রথমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে তার রূপ ও কথার জালে প্রলুব্ধ করেন। পরবর্তীতে তাদের নির্দিষ্ট স্থানে ডেকে আনলে এসআই তকিবুর সেখানে হানা দেন। এরপর মামলার ভয় দেখিয়ে এবং সামাজিক মর্যাদার হানি করার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। যারা টাকা দিতে ব্যর্থ হন, তাদের অনেককে মামলার আসামী করে জেলহাজতেও পাঠানো হয়েছে।সহযোগী পিংকি রানী ঘোষের পরিচয়:তদন্তে পিংকি রানী ঘোষ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে:পরিচয়: তিনি কালীগঞ্জের রাকড়া গ্রামের মৃত অধির ঘোষের মেয়ে।অতীত ইতিহাস: অপ্রাপ্ত বয়সে স্থানীয় এক হিন্দু যুবকের সাথে প্রথম বিয়ে হলেও দেড় বছরের মাথায় তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার এক মুসলিম যুবককে বিয়ে করেন। সেখানে তার একটি সন্তানও রয়েছে।বর্তমান কর্মকাণ্ড: স্বামী-সন্তান ফেলে রেখে আসার পর এসআই তকিবুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর থেকেই দুজনে মিলে এই ব্লাকমেইল সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।ভুক্তভোগীদের অবস্থা:এই চক্রের হাত থেকে রেহাই পায়নি ৬৫ বছরের বৃদ্ধও। স্থানীয়দের অভিযোগ, তকিবুর ও পিংকির এই কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষ তটস্থ। অনেকেই মান-সম্মানের ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না, আবার অনেকে সহায়-সম্বল হারিয়ে পথে বসেছেন।এলাকাবাসীর দাবি:এই ঘটনায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা এবং তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।