
ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে লাইসেন্স তৈরি, টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ছাড়াই বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ‘জুয়েল’ এবং তার প্রতিষ্ঠান ‘ইরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে।সূত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জ ও সিলেট জেলায় চলমান কয়েকটি প্রকল্পে প্রায় ১৪ লাখ এবং ১১ লাখ টাকার বিল উত্তোলন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, কাজের কোনো বাস্তব অগ্রগতি ছাড়াই অর্থ আদায় করা হয়েছে।জাল ডকুমেন্ট ব্যবহার করে লাইসেন্স তৈরি, সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে জাল সমঝোতা—এসবই অভিযোগের মূল। এছাড়া, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ‘জুয়েল’ শুধু নিজে নয়, তার স্ত্রীও এই জালিয়াতি ও প্রতারণার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তারা দুজন মিলে লাইসেন্স বানিজ্য, জাল কাগজপত্র তৈরি এবং টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে অর্থ আদায় করে থাকেন। পাশাপাশি বিভিন্ন চেক ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়রা বলছেন, ‘জুয়েল’ ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে ঠিকাদারদের সঙ্গে মিশে অবৈধভাবে লাইসেন্স বানিজ্য চালাতেন। তাছাড়া কিছু সময় আগে তিনি প্রভাবশালী প্রকৌশলীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোটি টাকার লেনদেনও করেছেন।আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাল কাগজপত্র ব্যবহার এবং অর্থ আত্মসাৎ—সবই ফৌজদারি অপরাধ। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।সূত্রের মতে, তার সহযোগী ও এক্সচেঞ্জ লেনদেনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ‘নয়ন’ এ চক্রের কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন।