রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
সারাদেশ

চট্টগ্রামে বন্যার তাণ্ডব: তলিয়ে গেছে ১৫,৯১১ হেক্টর ফসলি জমি, মাছ খাতে ক্ষতি ৯১ কোটি টাকা

চট্টগ্রামে বন্যার তাণ্ডব: তলিয়ে গেছে ১৫,৯১১ হেক্টর ফসলি জমি, মাছ খাতে ক্ষতি ৯১ কোটি টাকা

চট্টগ্রামে টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে জেলার ১৫ হাজার ৯১১ দশমিক ১৬ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ হাজার ৯৩৩টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গিয়ে মৎস্য খাতে প্রায় ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের শনিবার (১১ জুলাই) প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক এলাকায় এখনও পানি জমে থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি। পানি নেমে যাওয়ার পর মাঠপর্যায়ে জরিপ শেষে চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করা হবে।মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বাঁশখালী উপজেলায়। সেখানে ২ হাজার ৫০০টি পুকুর, ৩১০টি চিংড়ি ঘের এবং প্রায় ১ হাজার ৯৭০ হেক্টর জলাশয়ের মাছ ভেসে গিয়ে প্রায় ৪১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সাতকানিয়া, যেখানে প্রায় ১০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে।এ ছাড়া লোহাগাড়া, কর্ণফুলী, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, পটিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ, মিরসরাই, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও সীতাকুণ্ড উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, “দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপজেলাগুলোতে ক্ষতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। অনেক এলাকায় এখনও পানি পুরোপুরি না নামায় চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।”অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে আবাদ করা ৩০ হাজার ২২ দশমিক ৫ হেক্টর আউশ ধানের মধ্যে ৯ হাজার ৪৩ দশমিক ৫ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৯৬০ দশমিক ৬৬ হেক্টর আমন বীজতলা এবং ৫ হাজার ৯০৭ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।উপজেলাভিত্তিক হিসাবে ফসলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বাঁশখালী উপজেলায়, যেখানে ৩ হাজার ৬০৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এরপর রয়েছে চন্দনাইশ, ফটিকছড়ি, সাতকানিয়া ও সন্দ্বীপ।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক জানান, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বর্তমানে প্রকাশিত হিসাব প্রাথমিক এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ক্ষতির পরিমাণ আরও পরিবর্তিত হতে পারে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়