রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
সারাদেশ

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের চিকিৎসা, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অবাধে ঘুরছেন হকার

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের চিকিৎসা, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অবাধে ঘুরছেন হকার

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশুরা। বেড সংকটে অনেক রোগীকে স্যাঁতসেঁতে ও নোংরা মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ড ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।ওয়ার্ডের প্রতিটি বেড রোগী ও স্বজনদের ভিড়ে পূর্ণ ছিল। অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে স্যালাইন চলমান অবস্থায় চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুদের অসুস্থতা আরও বাড়ছে এবং নিজেরাও নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন।লাখাই উপজেলা থেকে আসা মঞ্জুরা বেগম তাঁর দুই বছর বয়সী ছেলে আবদুল মোমিনকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জ্বর ও কাঁপুনি নিয়ে আসা শিশুটি স্যাঁতসেঁতে ও নোংরা বিছানায় চিকিৎসা নিচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “কিতা করতাম, আর কোনো উপায় আছেনি?”চুনারুঘাট উপজেলার শিবলি আক্তার জানান, ঠান্ডা ও জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়া তাঁর আট মাস বয়সী শিশুর হাসপাতালে থাকার কয়েকদিন পর ডায়রিয়া শুরু হয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় স্যালাইন না পাওয়ায় বাইরে থেকে কিনে চিকিৎসা চালাতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এদিকে ওয়ার্ডে দীর্ঘ সময়েও কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। এর মধ্যেই চা-বিস্কুট নিয়ে এক হকারকে শিশু ওয়ার্ডে অবাধে ঘুরে রোগীর স্বজনদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়। এতে হাসপাতালের স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়