
দেশের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক বুলেটিনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ সামাল দিতে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।বুলেটিন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট সরকারি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ কোটি টাকার বেশি। এর আগে ২০২৪ সালের জুন শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। আর ২০২২ সালের জুন শেষে ছিল ১৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানে ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ৩ লাখ কোটি টাকা নতুন ঋণ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা, যা ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ৯ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি।মোট ঋণের গঠনে অভ্যন্তরীণ ঋণের অংশ বেশি—৫৭ শতাংশ, আর বৈদেশিক ঋণ ৪৩ শতাংশ। স্থানীয় বাজার থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামার ঝুঁকি কমানো এবং দেশের ভেতরে তারল্য প্রবাহ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে বলে বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সরকার ৬২ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।