
প্রতারণার মামলায় Unilever Bangladesh Limited-এর পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও প্রায় সাড়ে তিন মাসেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এতে মামলার অগ্রগতি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা।গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান-এর আদালত মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ ও প্রতারণার অভিযোগে এই পরোয়ানা জারি করেন। অভিযুক্তরা হলেন—সেন্ট্রাল সাউথ ক্লাস্টার প্রধান সৈয়দ জিকরুল বিন জমির, সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার এম সোয়াইব কামাল, এরিয়া ম্যানেজার কাওসার মাহমুদ চৌধুরী, কনজুমার কেয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ নাহারুল ইসলাম মোল্লা এবং ফাইন্যান্স ডিরেক্টর জিন্নিয়া হক।তবে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার সংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়েনি। আদালতের পেশকার শিশির হালদার শনিবার (২ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মামলাটি ৩৩ নম্বর আদালত থেকে ৩২ নম্বর আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে, যা বিচার প্রক্রিয়াকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম হিরণ জানান, প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট ‘মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স’ প্রতিষ্ঠানটি এই মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে আদালত তদন্তের দায়িত্ব দেয় Criminal Investigation Department (CID)-কে। তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ‘মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স’কে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ইউনিলিভার বাংলাদেশের পরিবেশক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে, যা থেকেই এই মামলার সূত্রপাত।