
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল সিস্টেম এখন হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ খাতের মতো জরুরি পরিষেবাগুলো সাইবার হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বাইরে থেকে হ্যাকাররা একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সাইবার নিরাপত্তা এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।পুলিশ সদর দফতরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার জন্য পুলিশ বিভাগে কিছু জনবল থাকলেও তা বর্তমান প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত বাড়তে থাকা সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় এই জনবল মোটেও যথেষ্ট নয়।এছাড়া, এখনো পুলিশের অধীনে সাইবার নিরাপত্তার জন্য কোনো শক্তিশালী স্বতন্ত্র ইউনিট গড়ে ওঠেনি বলেও জানা গেছে। ফলে জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় কার্যকর সমন্বয় ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাইবার হুমকি মোকাবেলায় শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নয়, বিভাগ ও জেলা পর্যায়েও দক্ষ জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন জরুরি। একই সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও বিশেষায়িত সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠন করা এখন সময়ের দাবি।বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।