রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
সারাদেশ

৪ হাজার এসআই নিয়োগে বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ, পুলিশের অভ্যন্তরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

পাম্পে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ

৪ হাজার এসআই নিয়োগে পিআরবি সংশোধনের উদ্যোগ: সরাসরি নিয়োগ বনাম বিভাগীয় পদোন্নতি নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরে মিশ্র প্রতিক্রিয়ানিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাস্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে দীর্ঘ ৮৩ বছর পর ১৯৪৩ সালের ‘পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল (পিআরবি)’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। মূলত ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) নিয়োগ প্রক্রিয়াকে তদবিরমুক্ত ও আধুনিক করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বিধিমালা সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।তবে এই উদ্যোগের ফলে বিভাগীয় পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা শত শত কর্মকর্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া।প্রবিধান সংশোধনের লক্ষ্য ও প্রেক্ষাপটপুলিশ সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান জানান, পিআরবি-এর সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধনের একটি খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সরাসরি নিয়োগের পথ সুগম করা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও যুগোপযোগী করা।সংশোধনের পক্ষে যুক্তি:পুলিশ সদর দপ্তরের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত থাকা এই বিধিমালা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অনেক ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বড় পরিসরে এসআই নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং দক্ষ জনবল দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন।অন্যদিকে, বিভাগীয় পদোন্নতির আশায় থাকা কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন, সরাসরি নিয়োগের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে তাদের ক্যারিয়ারের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এই নিয়ে বাহিনীর ভেতরে বর্তমানে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে দীর্ঘ আট দশক পর পুলিশ নিয়োগ বিধিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়