
নিজের মন্ত্রীত্বকে ‘চাকরি’ নয়, বরং ‘ইবাদত’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী Dr. A N M Ehsanul Haque Milon। তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করাকে তিনি ইবাদত মনে করেন এবং মন্ত্রণালয়কেও নিজের কর্মস্থল নয়, বরং একটি ইবাদতখানা হিসেবে বিবেচনা করেন।শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে Education Reporters Association, Bangladesh (ইরাব)–এর সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।তিনি বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে এমন একটি ভিত্তি তৈরি করতে চান যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। তার লক্ষ্য ধীরস্থিরভাবে কাজ করা, যাতে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত না হয়।মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ শেষ করতে হবে। এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং দেশের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে এসেছেন।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গত ১৫–১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ করে দিতেই এই পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া তিনি জানান, ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন তার অন্যতম প্রধান মিশন।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিল বা শিথিল করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।