
চলতি মাসের শুরুতে চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করার পর থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে আছে দাপ্তরিক কার্যক্রমও।তবে শিগগিরই এই অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। নতুন কমিশন গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি-বেসরকারি-আধা সরকারি-সায়ত্বশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংস্কারে পদক্ষেপ নিয়েছিল। দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) ২০২৫ অধ্যাদেশও তার অংশ ছিল। যেটি জারি করে তৎকালীন সরকার।নবনির্বাচিত সরকার এই অধ্যাদেশ নতুন সংসদ অধিবেশনে তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগে কিছুটা দেরি হতে পারে।নতুন অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদে অনুমোদিত হলে দুদক কমিশনের পরিধি বাড়বে।দুদকের নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ প্রক্রিয়াআগের কাঠামোয় কমিশনার হিসেবে ৩ জনকে রাখা হতো। তবে ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী নতুন কাঠামোয় চেয়ারম্যানসহ সর্বোচ্চ ৫ জন কমিশনার থাকতে হবে। অধ্যাদেশে নতুন কমিশনারদের মধ্যে অন্তত একজন নারী ও একজন আইটি-দক্ষ কমিশনার রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এদিকে কমিশন বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে আগে। যাতে থাকবেন ৭ সদস্য। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক। কমিটি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবেদন নেবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। সেখান থেকে শর্টলিস্ট করবে, সাক্ষাৎকার নেবে এবং প্রতি পদে ২ জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে কমিটি। চূড়ান্ত নিয়োগ রাষ্ট্রপতি দেবেন। তবে সংসদীয় ব্যবস্থায় কার্যত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই সিদ্ধান্ত হয়।