
দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেন। এতে জ্যেষ্ঠ, মধ্যম সারি ও নবীন—সব পর্যায়ের নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।দলের স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই মন্ত্রিসভা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে প্রবীণ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন এখনো সরাসরি কোনো সরকারি পদে আসীন হননি। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে—রাষ্ট্রপতি পদে কি তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে?বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-র দুই মেয়াদে স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন ড. মোশাররফ। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও পরিমিতিবোধের কারণে তিনি দলীয় ও অদলীয় মহলে সমানভাবে সম্মানিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাবেক অধ্যাপক হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে রাষ্ট্রপতি পদে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন হতে পারেন একটি ভারসাম্যপূর্ণ পছন্দ। তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।