রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সদ্য সংবাদ
প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে ৮৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ৪ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ২৪-এর এই দিনে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও হা’মলার অভিযোগ ভোক্তা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ বংশালে বিশেষ অভিযানে জুয়ার আসরে হানা, ১৭ জন গ্রেপ্তার অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন বীর সেনানী: সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান নোয়াখালীতে প্রবাসীর বাড়িতে অ’স্ত্র ঠেকিয়ে চাঁ’দাবাজি, বিদেশি পি’স্তলসহ গ্রেপ্তার ১ ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৫৮, উদ্ধার মা’দক, অ’স্ত্র ও ২৮ লাখ টাকার জালনোট মা’দকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি
অনুসন্ধান

স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন স্বামী

স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন স্বামী

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর স্বামীর স্বীকারোক্তিতে সুমি ওরফে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুর (৪২) কে আটক করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালিয়া থানা পুলিশ।নিহত সুমি কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রাম (পূর্ব পাড়া) এলাকার বাসিন্দা এবং অভিযুক্ত আল-আমীন মন্ডলের স্ত্রী। তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামের আজমল মোল্যার মেয়ে। অভিযুক্ত আল-আমীন শুক্তগ্রামের মৃত জিল্লু মন্ডলের ছেলে।কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর সুমি তার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরদিন নিহতের ভাই সাকিব কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির ভিত্তিতে পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তের একপর্যায়ে সুমির নিখোঁজের ঘটনায় তার স্বামী আল-আমীনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায় পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হলে একপর্যায়ে তিনি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে মরদেহ গুম করতে বাড়ির পাশের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার কথাও জানান। তার দেখানো স্থান থেকেই রাতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আল-আমীন কোনো নিয়মিত কাজ করতেন না এবং সুমির জমানো টাকায় চলতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ করেন তারা। হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

সর্বশেষ
পাঠক প্রিয়