
সরকারি অফিসের একজন সামান্য চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী (পিয়ন)। কিন্তু তার অঢেল সম্পদ আর আলিশান জীবনযাপন দেখে থ বনে গেছেন সবাই! নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন শত কোটি টাকার সাম্রাজ্য। বলছি মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন জাহাঙ্গীরের কথা।ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি নিজের ও পরিবারের নামে গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন, জমিজমা ও পুকুরসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ।🔍 দুর্নীতির আলাদিনের চেরাগমোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনে অনিয়ম ও অবৈধ লেনদেনের মূল চাবিকাঠি ছিল এই পিয়ন জাহাঙ্গীরের হাতে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বড় বড় আবাসন ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।🏢 যেখানে চোখ যায়, সেখানেই জাহাঙ্গীরের সম্পদ!অনুসন্ধানে জানা যায়, জাহাঙ্গীরের অবৈধ সম্পদের পরিধি শুধু এক স্থানেই সীমাবদ্ধ নয়:আলিশান বহুতল ভবন: ঢাকাসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় কিনেছেন ও তৈরি করেছেন সুবিশাল বহুতল ভবন।জমি ও পুকুর: নিজ গ্রাম ও আশেপাশের এলাকায় কিনেছেন একরের পর একর জমি ও দৃষ্টিনন্দন পুকুর।বিলাসবহুল বাড়ি: সুরম্য গেট ও বাউন্ডারি ঘেরা বিলাসবহুল বাসস্থান নির্মাণ করেছেন বিপুল ব্যয়ে।স্থানীয়দের ভাষ্য:”একজন সামান্য পিয়ন পদের চাকরিজীবী কীভাবে শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হন, তা ভেবে আমরা অবাক! তার এই বিশাল সম্পদের উৎসের পেছনে রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ওপেন সিক্রেট দুর্নীতি।”