
গাড়ির সিএনজি পাম্প থেকে শুরু করে বাসাবাড়ির রান্নাঘর—সবখানেই এখন তীব্র গ্যাস সংকট। গত এক সপ্তাহ থেকে মাসজুড়ে চলা এই ঘাটতিতে একদিকে যেমন স্থবির হয়ে পড়েছে পরিবহন খাত, অন্যদিকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ গৃহিণীরা।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন নগরীর প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চরম হাহাকার চলছে। দিনের সিংহভাগ সময় বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকায় স্বাভাবিক রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার বিকল্প উপায়ে চুলা জ্বালাতে বাধ্য হচ্ছেন।অন্যদিকে, নবীনগর ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সিএনজি পাম্পগুলোতে দেখা গেছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। সামান্য সিএনজি গ্যাসের জন্য সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য পরিবহন চালকদের ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেককে।ভুক্তভোগীদের মতে, এলপিজি স্বাভাবিক থাকলেও সিএনজি ও লাইনের আবাসিক গ্যাসের এমন তীব্র সংকট প্রশ্নবিদ্ধ। সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং এই সংকটের নেপথ্যে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকরা।