
বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা (সিপিও) ও সাবেক যুগ্ম মহাপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ কুদরত-ই-খুদার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নারী কেলেঙ্কারি, স্বজনপ্রীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ের ভেতরে-বাইরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীতে কর্মরত থাকাকালীন কুদরত-ই-খুদা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। ওই সিন্ডিকেটে কয়েকজন ঠিকাদার ও সুবিধাভোগী ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাদের মাধ্যমে রেলওয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হতো।এছাড়া বিরোধী মতাদর্শের রেল শ্রমিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, একের পর এক অভিযোগ জমা হলেও প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে বিষয়গুলো ধামাচাপা পড়ে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।