
ঢাকার আবাসন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর প্রায় দেড় ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পদ নিয়ে তাজ্জব হওয়া তথ্য প্রকাশ করেছে কালবেলা। চাকরি নামক জাদুর কাঠির মাধ্যমে শূন্য থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তারা।তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাদের রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট, প্লট ও গাড়ি। স্ত্রী ও সন্তানদের নামে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দশম গ্রেডের ইমারত পরিদর্শক থেকে শুরু করে ১৭ গ্রেডের কর্মচারী পর্যন্ত রয়েছেন এই তালিকায়।তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে:নকশা জালিয়াতিদরপত্র নিয়ন্ত্রণ ও ঘুষ বাণিজ্যনোটিশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়সেবা পেতে ঘুষ দিতে বাধ্য করাএত অপকর্ম করেও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বারবার পার পেয়ে গেছেন তারা।দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যেই রাজউকের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তাদের অঢেল সম্পদ। অনুসন্ধানের 대상রা হলেন:ইমারত পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান, নকশাকার শফিউল্লাহ বাবু, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর জাফর সাদেক, ইমারত পরিদর্শক আমীর খসরু, ইমারত পরিদর্শক মো. তারিফুর রহমান, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আবদুল মোমিন, নকশাকার এমদাদ আলী, সুপারভাইজার খালেদ মোশাররফ তালুকদার (রুবেল), সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, বেঞ্চ সহকারী বাসার শরীফ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ইউসুফ মিয়া, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর বেলাল হোসেন চৌধুরী রিপন, উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ হাসান ও রেকর্ড কিপার মো. ফিরোজ।রাজউকের ইতিহাস বলছে, ঢাকার পরিকল্পিত উন্নয়নের ধারণা শুরু হয় পাকিস্তান আমলে। ১৯৫৬ সালে গঠিত হয় ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি)। ১৯৮৭ সালে পুনর্গঠন করে রাজউক প্রতিষ্ঠা করা হয়। রাজউকের দায়িত্ব:মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণআবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন (পূর্বাচল, উত্তরা, ঝিলমিল ইত্যাদি)নগর উন্নয়ন ও অবকাঠামো পরিকল্পনাবর্তমানে রাজউক ঢাকার দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যার চাপ ও অবৈধ নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।