
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্য আগামী ৪ জুলাই থেকে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রায় চার মাস পর ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শোকানুষ্ঠানকে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের হামলায় নিহত হন খামেনি। যুদ্ধ পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী কূটনৈতিক আলোচনার কারণে তার দাফন বিলম্বিত হয়। বর্তমানে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় জানাজার সময় নির্ধারণ করেছে তেহরান।রাজধানী তেহরানের ‘মোসাল্লা’ প্রাঙ্গণে ৪ ও ৫ জুলাই প্রধান জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শোকমিছিল কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে পৌঁছাবে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।তেহরানের মেয়রের দাবি, রাজধানীর শোকমিছিলে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নিতে পারে, যা শহরটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসমাগম হবে। মাশহাদেও প্রায় ১ কোটি মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।১৯৩৯ সালে মাশহাদে জন্ম নেওয়া খামেনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে টানা ৩৭ বছর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তবে তিনি জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবে বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি), আর সার্বিক লজিস্টিক সমন্বয় করবে আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ।