
সিলেট জেলা ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা ও কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ভুয়া রশিদ ব্যবহার করে পরিবহন থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, মামলা না দিয়ে নগদ অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে।একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) শাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন সড়কে যানবাহন আটক করে চালক ও মালিকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অধীনস্থ সার্জেন্ট ও ট্রাফিক কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।পরিবহন খাতের কয়েকজন শ্রমিক নেতা অভিযোগ করেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিয়মিত যানবাহন থামিয়ে মামলা ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ট্রাফিক সদস্যও দাবি করেন, চাকরি রক্ষার স্বার্থে তারা ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশ পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক। তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পর সিলেটে যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আমি যোগদানের পর নিয়মিত মামলা কার্যক্রম চালু হয়েছে। হাতে লেখা রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।