
অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের অর্থবিল ও নির্দিষ্টকরণ বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি অর্থবিল ও নির্দিষ্টকরণ বিলে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, অর্থসচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে সকালে সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী বাজেট-সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেন।এবারের বাজেট দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়, যার আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।প্রস্তাবিত বাজেটে সম্ভাব্য ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এ বৃহৎ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বাজেটের আকারও কয়েকশ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। :::