
সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দেশের জন্য ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে। ঈদের সময় জামায়াতের নেতাদের দেওয়া আবেদন এবং “আজীবন ক্ষমতায় দেখতে চাই” ধরনের আহ্বানেও তিনি তার অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সেনাপ্রধান ওয়াকার এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে সারাদিন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পাদনে কাজ করেছেন। নির্বাচনের সময় তারা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতিত্ব করেননি। যেখানে অনিয়ম বা গোলমাল দেখা গেছে, সেখানে সেনাবাহিনী সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে।এই প্রচেষ্টা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে চিহ্নিত হবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তিপ্রিয় পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সেনাপ্রধান ওয়াকার এবং সেনাবাহিনীর ভূমিকা দেশের মানুষ চিরকাল স্মরণ করবে।