
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় সংস্কার প্রস্তাবের ওপর গণভোট। এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—ভোটের মাঠের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তির ‘মানুষবিহীন আকাশযান’ বা ড্রোন ব্যবহার।প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশ এক নতুন নির্বাচনী অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী আকাশপথে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে।নির্বাচন ভবনের কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল সূত্রে জানা গেছে, দেশের আকাশসীমা রক্ষায় ব্যবহৃত বিশেষ কৌশলগত ড্রোনগুলো নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত থাকবে। বিমানবাহিনী প্রধানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ৩,৭৩০ জন সদস্য এ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।ড্রোন থেকে প্রাপ্ত লাইভ ভিডিও একযোগে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে প্রদর্শিত হবে। ফলে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।শেরপুর-৩ আসন ছাড়া দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের মোট ২,০৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি (২৯১ জন)। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও জাতীয় নাগরিক পার্টিও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী দিয়েছে।